ভোটে অনিয়মের অভিযোগে ১৭ জেলায় আটক ৩৫
প্রকাশিত: 12 Feb, 2026
ভোটে অনিয়মের অভিযোগে ১৭ জেলায় ৩৫ জনকে আটক করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলাকালে দেশের বিভিন্ন স্থানে জাল ভোট, ব্যালট জালিয়াতি, ভুয়া এজেন্ট সেজে প্রবেশ এবং ভোটারদের টাকা বিতরণের অভিযোগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ধরপাকড় চালায়।
আটকদের মধ্যে রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতা, কর্মী, ভুয়া পোলিং এজেন্ট এবং অপ্রাপ্তবয়স্কও রয়েছে। অনেক স্থানে ব্যালট পেপার ছিনতাই ও ভুয়া ভোট দেওয়ার চেষ্টার সময় তাদের হাতেনাতে আটক করা হয়।
শেরপুর-১ আসনের দক্ষিণ নলবাইদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ধানের শীষ প্রতীকে সিল মারা শতাধিক ব্যালট পেপারসহ দুই বিএনপি সমর্থককে আটক করেছে পুলিশ।
পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলায় নমুনা ব্যালটসহ ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগে জাতীয় যুবশক্তির উপজেলা আহ্বায়ক সুকুমার দাস বাবুকে আটক করা হয়, যার বিরুদ্ধে পরে ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
কুষ্টিয়া-২ আসনের তালবাড়িয়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ব্যালট পেপার নিয়ে পালানোর চেষ্টা করার সময় শাহিন নামে এক যুবককে আটক করা হয়। মিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে।
রাঙ্গামাটিতে জাল ভোট দেওয়ার পৃথক দুটি অভিযোগের ঘটনায় ২ জনকে আটক করা হয়েছে। শহরের পুরানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে শফিউল বশরকে আটক করেছে পুলিশ।
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় জাল ভোট দিতে গিয়ে কাউসার মিয়া ও ফাহিম মিয়া নামে দুই কিশোর আটক হয়েছে।
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে কেন্দ্র এলাকায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে বিএনপির নেতা হাসমত মিয়াকে আটক করেছে সেনাবাহিনী।
নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ উপজেলায় জাল ভোট দেওয়ার চেষ্টা করলে ১৭ বছরের মো. বাইজিত মিয়াকে আটক করেছে সেনাবাহিনী।
খুলনা-৬ আসনের বিভিন্ন কেন্দ্রে ভুয়া পোলিং এজেন্টদের আটক করা হয়েছে। সংগঠনগুলোর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে।
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। এ সময় নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।