জাতীয়

হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন ফেলে রেখেছে বাংলাদেশ

প্রকাশিত: 10 Apr, 2026

ফন্ট সাইজ:
বাপ্পি
বাপ্পি

জেলা প্রতিনিধি

হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন ফেলে রেখেছে বাংলাদেশ

বাংলাদেশে কক্সবাজারের মহেশখালীতে নির্মিত হাজার কোটি টাকার তেল পাইপলাইন ও মজুত সক্ষমতা দীর্ঘদিন ধরে ফেলে রাখা হয়েছে। সাগরে বড় জাহাজ থেকে সরাসরি পাইপলাইনে তেল খালাস ও পরিবহন করতে ৮ হাজার কোটি টাকার বেশি খরচে নির্মিত এই অবকাঠামো কার্যকর করা সম্ভব হয়নি।

আরও পড়ুন: স্বামীর মুখের দুর্গন্ধ সহ্য করতে না পেরে থানায় স্ত্রীর অভিযোগ

এসপিএম প্রকল্পের অবকাঠামো নির্মাণের কাজ ২০২৪ সালে শেষ হবে, তবে এখনও অপারেটর নিয়োগের জন্য কার্যক্রম শুরু করা হয়নি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে তেলের বাজারে অস্থিরতা এবং মজুত সক্ষমতা নিয়ে আলোচনা চলাকালীন এর গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে।

মহেশখালীতে নির্মিত অবকাঠামোতে বাংলাদেশে বর্তমানে চাহিদার প্রায় এক মাসের ক্রুড অয়েল এবং এক সপ্তাহের ডিজেলের মজুত রাখার মতো ছয়টি ট্যাংক খালি পড়ে আছে। বিদেশ থেকে আমদানি করা জ্বালানি তেল সরাসরি খালাস করতে ২২০ কিলোমিটার পাইপলাইন এবং দুই লাখ টন তেলের মজুত রাখার স্টোরেজ ট্যাংক নির্মাণ করা হয়েছে।

এসপিএম প্রকল্পে আধুনিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গভীর সাগর থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল সঞ্চালন ও মজুদ করা হবে। তবে, অপারেটর নিয়োগের অভাবে প্রকল্পটি চালু করা সম্ভব হয়নি।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চলমান তেল সংকটের মধ্যে এই অবকাঠামোর গুরুত্ব বৃদ্ধি পেয়েছিল। পাইপলাইনে তেল খালাস করতে পারলে অর্থ ও সময়ের অপচয় রোধ করা সম্ভব হত।

এসপিএম প্রকল্পের আওতায় নির্মিত অবকাঠামোর মধ্যে ১১০ কিলোমিটার দুটি পৃথক পাইপলাইন, পাম্পিং স্টেশন এবং ছয়টি স্টোরেজ ট্যাংক রয়েছে। বর্তমানে, ইস্টার্ন রিফাইনারির সক্ষমতা অনুযায়ী, এই অবকাঠামোর প্রায় ৭০ শতাংশ ব্যবহার করা সম্ভব।

জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, এসপিএম প্রকল্পের কার্যক্রম দ্রুত শুরু করার ব্যাপারে সরকারের আন্তরিকতা রয়েছে এবং দরপত্র মূল্যায়ন শেষে যত দ্রুত সম্ভব এটি চালু করা হবে।

টুডে/বা

এই পোস্টটি শেয়ার করুন: