রাজনীতি

যমুনা অভিমুখে ইনকিলাব মঞ্চ, জাবের-আম্মারসহ আহত কয়েকজন

প্রকাশিত: 06 Feb, 2026

ফন্ট সাইজ:
বাপ্পি
বাপ্পি

জেলা প্রতিনিধি

যমুনা অভিমুখে ইনকিলাব মঞ্চ, জাবের-আম্মারসহ আহত কয়েকজন

জাতিসংঘের অধীনে শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্ত এবং হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারের দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা অভিমুখে যাত্রা শুরু করে ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। এ সময় আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান, টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে। এতে পুলিশের ছোড়া রাবার বুলেটে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের ও রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারসহ কয়েকজন আহত হন।

শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে অবস্থান নিয়ে যমুনা অভিমুখে যাত্রার ঘোষণা দেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। পরে বেলা ৩টা ৫০ মিনিটের দিকে তারা ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড় থেকে যমুনার দিকে রওনা হন। এ সময় আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ জলকামান ও টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপের পাশাপাশি লাঠিচার্জ করে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক গণমাধ্যমকে জানান, তিনজন আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি হয়েছেন। তারা জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

এর আগে একই দিন সকালে নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের এক দফা দাবিতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশ করেন সরকারি কর্মচারীরা। সমাবেশ শেষে তারা মিছিল নিয়ে যমুনা অভিমুখে যাত্রা শুরু করলে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে তাদের আটকে দেয়। পরে আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার দিকে অগ্রসর হন।

পুলিশ জলকামান নিক্ষেপ করলেও আন্দোলনকারীরা মিছিল নিয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের দিকে এগিয়ে যান এবং সেখানকার ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার সামনে সড়কে অবস্থান নেন। পরে বেলা পৌনে ১২টার দিকে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে।

একপর্যায়ে পুলিশের লাঠিচার্জ, জলকামান ও টিয়ার গ্যাসের মুখে আন্দোলনকারীদের একটি অংশ ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে এবং অন্য অংশ কাকরাইল মোড়ে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যান।

এদিকে, গত বৃহস্পতিবার রাতেও কয়েক দফা আলটিমেটাম দিয়ে জাতিসংঘের অধীনে শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার তদন্তের দাবিতে যমুনার প্রবেশমুখে অবস্থান নেন ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। শুক্রবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত প্রতিবেদন লেখা সময়েও আন্দোলন কর্মসূচি চলমান ছিল।

আরটিভি/এসকে

এই পোস্টটি শেয়ার করুন: